আজকাল এন্ড্রয়েড ফোনগুলো বেশ
জনপ্রিয়। হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার সব
দিক থেকে হ্যান্ডসেটগুলো দিন দিন
আরও উন্নত হয়ে উঠছে। কিন্তু এর
ব্যাটারি ব্যাকআপ সমস্যা যেন কোন
ভাবেই এড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। আমার
আজকের আয়োজন এমন কিছু কৌশল
নিয়ে যা আপনার এন্ড্রয়েড ফোনের
ব্যাটারিকে কিছুটা হলেও
দীর্ঘস্থায়ী করবে। চলুন শুরু করি।
→ ডার্ক কালার ব্যাকগ্রাউন্ড
ব্যাবহার করুন। আপনার ফোন যদি
এমোলেড স্ক্রিন বিশিষ্ট হয় তবে এ
পদ্ধতিটি কাজে দিবে কেননা
এমোলেড স্ক্রিন শুধু রঙিন
পিক্সেলগুলোকে আলোকিত করে।
→ অ্যাপ গুলোকেও সম্ভব হলে কালো
করে রাখুন। (ইউজার ইন্টারফেস/স্কিন/
থিম সেটিংস এর মাধ্যমে)
→ অটো ব্রাইটনেস থেকে দূরে থাকুন।
যখন দরকার শুধুমাত্র তখন ব্রাইটনেস
অ্যাডজাস্ট করুন।
→ ভাইব্রেশন বন্ধ করে রাখুন। তবে
চলতি পথে ভাইব্রেশন বন্ধ করার আগে
দুবার ভাবুন, কেননা ভাইব্রেশন বন্ধ
করলে আপনি হয়ত কল/মেসেজের
নোটিফিকেশন টের পাবেন না।
→ অরিজিনাল ব্যাটারি ব্যাবহার
করুন। ডিসপ্লে লাইটের টাইমআউট
কমিয়ে রাখুন। এতে প্রচুর চার্জ
খরচ হয়। একটি রিপোর্টে দেখা যায়
একজন ব্যবহারকারী দৈনিক ১৫০ বার
তার ফোন ডিসপ্লে অন
করেন।
→ প্রয়োজন না হলে মোবাইল
ইন্টারনেট বন্ধ করে রাখুন। স্মার্ট
ফিচার যেমন এয়ার জেশ্চার, স্মার্ট
স্ক্রলিং বন্ধ করে রাখুন। শুধুমাত্র
প্রয়োজন হলেই সেগুলো ব্যবহার করুন।
→ জিপিএস, এনএফসি, ওয়াই ফাই এবং
ব্লুটুথ শুধু দরকার হলেই অন করুন।
→ যেসব উইজেড দরকার নেই বিশেষ
করে যেগুলো নেটে কানেক্টেড হয়ে
থাকে সেগুলো কম ব্যবহার করুন।
আপডেটেড অ্যাপ ব্যবহার করুন কেননা,
সাধারণত নতুন অ্যাপ অপটিমাইজ করা
থাকে যাতে
ব্যাটারি আরও কম খরচ হয়।
→ ফোনে ব্যাটারি সেভিং মুড
ব্যবহার করুন। যদি সারাদিনে একবার
ইমেইল চেক করেন তাহলে সব সময়ের
জন্য ইমেইল ওপেন করে রাখার কোনো
দরকার নেই।
→ গুগল প্লে স্টোর সেটিং পরিবর্তন
করে ম্যানুয়াল আপডেট করে রাখুন।
“ওকে গুগল” ভয়েস সার্চ অপশনটি খুব সুন্দর
কিন্তু এটিও অনেক চার্জ নষ্ট করে।
→ ফোনে অ্যানিমেশন বন্ধ রাখুন।
ফোনে লোকেশন সার্ভিস বন্ধ রাখুন।
এতোগুলো টিপস পড়ার পর আপনার হয়ত
মনে হতে পারে এতো কিছু বন্ধ করে
রাখলে স্মার্ট ফোন চালানোর দরকার
কী?
হ্যাঁ এই প্রশ্ন শুধু আপনার নয় বরং সব বড় বড়
ফোন নির্মাতারাও এর সমাধান খুঁজছে
যাতে করে ফোনের
ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানো যায় আর
এর জন্য প্রতিনিয়ত গবেষণা চলছে। হয়ত
ভবিষ্যতে এমন দিন আসবে যে আর
ব্যাটারির এ ধরনের সমস্যাগুলো নিয়ে
চিন্তা করতে হবে না।
প্রজুক্তি ও নতুন বাংলাকে জানতে "টাইমস নিউজ বিডি" এর সাথেই থাকুন।
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০১৫
এন্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করার ও ব্যাটারীর চার্জ বেশিক্ষন ধরে রাখার জন্য কিছু টিপস।
শনিবার, ১৩ জুন, ২০১৫
যে কোন স্মার্টফোনকে সহজেই রুপান্তরিত করুন হার্ট রেট মনিটরে
বাজারের হাই এন্ড এবং কিছু কিছু মিড
রেঞ্জের ডিভাইসে বর্তমানে হার্ট রেট
মনিটর ফিচারটি অনেক বেশি জনপ্রিয়।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ঐযে, 'টাকা'। এখন
পর্যন্ত লো এন্ডের কোন স্মার্টফোনে
যেহেতু এই ফিচারটি অ্যাভেইলেবল হয়নি
সেক্ষেত্রে অনেকের ইচ্ছে থাকলেও
এই ফিচারটি ব্যবহার করা হয়ে ওঠেনি।
তবে, আমি আজ আপনাদের সাথে এমন
একটি ছোট্ট ট্রিক শেয়ার করতে যাচ্ছি
যার মাধ্যমে আপনিও আপনার অ্যান্ড্রয়েড
ডিভাইসটিকে হার্ট রেট মনিটর হিসেবে
ব্যবহার করতে পারবেন। কীভাবে? চলুন
জেনে নেয়া যাক।
প্রথমে চলুন, স্মার্টফোনে থাকা এই হার্ট
রেট মনিটরের টেকনোলোজি মূলত
কীভাবে কাজ করে তা জেনে নেয়া
যাক। স্মার্টফোনে থাকা এসকল হার্ট রেট
মনিটরে থাকে পালস অক্সিমিটারস যা
মূলত আমাদের ফিঙ্গারপ্রিন্টের রঙের
পরিবর্তনকে ট্র্যাক করে থাকে। এই রঙের
পরিবর্তন হয়ে থাকে আমাদের স্কিনের
নিচে থাকা পালসেটিং ব্লাডের
কারণে। এই সম্পূর্ণ প্রসিডিউরটিতে মূলত
দরকার হয় একটি লাইট সোর্স এবং একটি
মিজারমেন্ট সফটওয়্যার। তাই, একটি
ক্যামেরা অ্যাপলিকেশনের মাধ্যমে
আমরা এই বেসিককে কাজে লাগিয়ে
আমাদের স্মার্টফোনে যোগ করতে পারি
চমৎকার এই হার্ট রেট মনিটর সিস্টেমটি।
গুগল প্লে স্টোরে আপনি খুঁজলেই
অনেকগুলো হার্ট রেট মনিটর
অ্যাপলিকেশন পেয়ে যাবেন। কিছু কিছু
ফিটনেস ইন্ডাস্ট্রির অ্যাপলিকেশনের
অনেক বড় বড় নামের অ্যাপলিকেশনও
দেখতে পাবেন, যেমন - Runtastic Heart-
Rate Monitor, তবে আমার কাছে যে
অ্যাপলিকেশনটি বিশ্বাসযোগ্য মনে
হয়েছে তা হলো Instant Heart-Rate। এই
অ্যাপলিকেশনটি যে দুটি কারণে আমার
পছন্দের তালিকায় রয়েছে তা হচ্ছে, এটি
চমৎকার ফলাফল দেয়ার সাথে সাথে
ব্যাটারি ড্রেন খুবই কম করে, এবং এই
অ্যাপলিকেশনটি ইন্সটলের সময় পারমিশনও
খুবই কম চায়। এছাড়াও সিম্পল এই
অ্যাপলিকেশনটির আকারও অনেক ছোট।
Instant Heart-Rate অ্যাপলিকেশনটি মূলত
দিনের বিভিন্ন সময় বেশ কয়েকবার একজন
ব্যবহারকারীর হার্ট রেট ট্র্যাক করে
থাকে এবং এই ট্র্যাকিং ইনফরমেশনগুলো
খুব সহজেই ডিটেইলস আকারে
অ্যাপলিকেশনটির টাইম লাইন থেকে
দেখে নেয়া যায়। আপনি ইচ্ছা করলে এই
ট্র্যাক তথ্যগুলো একটি azumio অ্যাকাউন্টে
সংরক্ষণ করতে পারেন, অথবা গুগল ফিটেও
সংরক্ষণের সুবিধা দিয়ে থাকে এই
অ্যাপলিকেশনটি। শুধু হার্ট রেটি মনিটরই
নয়, বরং এই অ্যাপলিকেশনটি অন্যান্য
স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য দিয়েও আপনাকে
সাহায্য করবে তবে সেই ইনফোগুলো
ভ্যারি করবে আপনার বয়স, ওজন এবং
জেনারেল ফিটনেসের সাথে।
হার্ট রেট মনিটর অ্যাপলিকেশনটি যদি
কাজ করতে করতে স্টাক হয়ে যায় তবে এর
দুটি কারণ হতে পারে,
আপনি খুব ভর দিয়েছেন,
আপনার আঙ্গুল সরে গিয়েছে।
ভালো ফলাফল পাবার জন্য সবচাইতে
ভালো হয় যদি আপনার আঙ্গুল আপনি
আপনার ডিভাইসের ফ্লাসের উপর খুবই
হালকা ভাবে রাখেন এবং প্রসিডিউর
চলাকালীন সময়ে আঙ্গুলের মুভমেন্ট না
হয়। তারপরও যদি স্টাক হয় তবে প্রথম থেকে
না হয় আবার শুরু করুন।
অ্যাপলিকেশনটির একটি ড্রব্যাক সাইড
রয়েছে এবং আসলে এই ড্রব্যাকটি আমরা
যেকোনো ধরণের ফ্রি অ্যাপলিকেশনেই
ফেস করে থাকি এবং তা হচ্ছে এটি
মাঝে মাঝেই আপনাকে পপ আপ অ্যাড
প্রদর্শন করবে, তবে চমৎকার সুবিধা যেহেতু
এই ছোট্ট অ্যাপলিকেশনটি থেকে আমরা
পাচ্ছি সেক্ষেত্রে এইটুকু অসুবিধা সহ্য
করা যায়, কি বলেন? তাছাড়াও আপনারা
যদি চিন্তা করে থাকেন যে এই সমস্যা
থেকে মুক্তি পাবার জন্য আপনারা এর
পেইড ভার্সনটি ব্যবহার করবেন তবে আমার
মনে হয়না এটা কোন ভালো সিদ্ধান্ত
হবে। কেননা, আমি এর পেইড ভার্সনটিও
ব্যবহার করে দেখেছি এবং পেইড
ভার্সনে এক্সট্রা কোন ফিচার আমি
দেখতে পাইনি। তাই আমার মতে, শুধুমাত্র
অ্যাড স্কিপ করার জন্য পেইড
অ্যাপলিকেশনটি কেনার কোন প্রয়োজন
নেই।
অ্যাপটি আপনারা প্লে স্টোর থেকে
বিনামূল্যেই ডাউনলোড করে নিতে
পারবেন।
ডাউনলোড লিংক: গুগল প্লে স্টোর।
শেষ কথা:
যারা ভাবছেন যে এটা সম্ভব না বা কাজ
করবে না, তাদের উদ্দেশ্যে বলছি,
আমারও ধারণা তাই ছিল। কিন্তু আমি এর
ফলাফলের সাথে স্যামসাং গ্যালাক্সি
এস ৫ ডিভাইসটির হার্ট রেট মনিটরের
ফলাফল মিলিয়ে প্রায় ৭৫ শতাংশ মিল
পেয়েছি। তাই, আশা করি আপনারাও এর
ফলাফলে নিরাশ হবেন না। যাই হোক, আজ
আর নয়, ভালো থাকবেন সবাই।
বুধবার, ২০ মে, ২০১৫
২০১৫ সালের সেরা কিছু অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন
বর্তমান বাজারে যেসকল
স্মার্টফোনগুলো পাওয়া যায় তাদের
মধ্যে তিনটি অপারেটিং সিস্টেমের
ফোন বেশি জনপ্রিয়। আইফোন,
অ্যান্ড্রয়েড এবং উইন্ডোজ। আবার যদি
এই তিনটির মধ্যে র্যাংকিং করা যায়
তবে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং
সিস্টেম বিশিষ্ট স্মার্টফোনই জয়
পাবে। আপনি কি জানেন অ্যান্ড্রয়েড
স্মার্টফোনগুলোর এত জনপ্রিয়তার
পেছনে ঠিক কোন কারণটি কাজ করে
থাকে? আমিই বলছি। অ্যান্ড্রয়েড
স্মার্টফোনগুলোর জনপ্রিয়তার পেছনে
মূলত সর্বোচ্চ কাস্টমাইজেশন অপশন,
সবচাইতে বেশি সংখ্যক অ্যাপ এবং এর
সহজলভ্যতাই কাজ করে থাকে। যত ধরণের
অপারেটিং বিশিষ্ট স্মার্টফোন
বর্তমান বাজারে পাওয়া যাচ্ছে
সেগুলোর মধ্যে সবচাইতে বেশি
অ্যাপলিকেশন অ্যান্ড্রয়েডের। কোন
ধরণের অ্যাপলিকেশন নেই
অ্যান্ড্রয়েডের জন্য! তাও আবার একই
ক্যাটাগরিতেই রয়েছে শত শত অ্যাপ
যার মধ্যে থেকে আপনার জন্য উপযুক্ত
অ্যাপলিকেশনটি আপনি সহজেই খুঁজে
পেতে পারবেন। আবার হাজার হাজার
অ্যাপ আছে বলেই যে ডেভেলপাররা
চুপ করে আছেন সেরকমও কিন্তু নয়। প্রায়
প্রতিদিনই ডেভেলপাররা তৈরি করে
আসছেন নতুন নতুন আইডিয়ার চমৎকার সব
অ্যাপলিকেশন। আর তাই ২০১৫ সালের
সেরা কিছু অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের
পর আবারো নতুন একটি ছোট্ট সিরিজ
নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হলাম
এবং তা হচ্ছে ২০১৫ সালের সেরা
কিছু অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন। চমৎকার
কিছু জনপ্রিয় অ্যাপলিকেশন নিয়ে
সাজাতে চেষ্টা করেছি ছোট্ট এই
সিরিজটি। আশা করি আপনাদের
ভালো লাগবে। চলুন তাহলে, শুরু করা
যাক।
ও হ্যাঁ, শুরু করার আগে আরও একটি বিষয়
মনে করিয়ে দেই। এই সিরিজের
প্রতিটি অ্যাপলিকেশনই আপনি
বিনামূল্যে গুগল প্লে স্টোর থেকে
ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। আর
যদি আপনাদের পছন্দ হয় তবে কিছু কিছু
অ্যাপলিকেশনের আবার প্রো বা
প্রিমিয়াম ভার্সনও পাবেন যাতে
আরও কিছু প্রিমিয়াম সুবিধা থাকবে।
Unclouded
আপনি নিশ্চয়ই জানেন বর্তমানে
রয়েছে অনেক রকম ক্লাউড স্টোরেজ
সুবিধা এবং সেগুলোর মধ্যে কিছু কিছু
ক্লাউড স্টোরেজ আবার বেশ জনপ্রিয়।
যেকোনো ডিভাইস এবং স্থানে দ্রুত
পার্সোনাল ফাইল বা ডকুমেন্টস এক্সেস
করার জন্য এই ক্লাউড সুবিধার জুড়ি নেই।
কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে বর্তমানে দেখা
যায় একজন ব্যবহারকারী একই সাথে
বিভিন্ন ধরণের ক্লাউড সেবা ব্যবহার
করে থাকেন। যেমন ধরুন, আমিই গুগল
ড্রাইভ এবং ড্রপবক্স ব্যবহার করে থাকি।
এক্ষেত্রে আমি মাত্র দুটি ক্লাউড
স্টোরেজ সেবা ব্যবহার করি কিন্তু
অনেকেই আছেন অনেকগুলো ব্যবহার
করে থাকেন। এখন, ধরুন আপনার খুব দ্রুত
একটি ফাইল প্রয়োজন। সেই ফাইলটি
আপনি কোন না কোন অনলাইন ক্লাউড
স্টোরেজে আপলোড করে রেখেছেন
কিন্তু অনেকগুলো ক্লাউড সেবা ব্যবহার
করার ফলে আপনি মনে করতে পারছেন
না যে ঠিক কোন ক্লাউড স্টোরেজে
আপনি ফাইলটি রেখেছিলেন! সমস্যা,
তাই না? তবে এই সমস্যা থেকে
আপনাকে সহজেই সমাধান দিতে সক্ষম
Unclouded অ্যাপলিকেশনটি। এই
অ্যাপলিকেশনটি একই সাথে ড্রপবক্স,
গুগলড্রাইভ, জিমেইল এবং ওয়ান ড্রাইভ
সাপোর্ট করে থাকে। আপনি ইচ্ছে
করলেই এই অ্যাপলিকেশনটির মাধ্যমে
আপনার প্রিয় ক্লাউড স্টোরেজের সব
ডকুমেন্টস গুলো দেখতে পারবেন। শুধু
তাই নয়, এটি মূলত আপনাকে আরও
অ্যাডভান্স কিছু সেবা দিতে সক্ষম
যেমন, কোন ফাইলটি সর্বশেষ এডিট/
আপডেট করেছেন, ক্লাউড স্টোরেজের
কতখানি স্পেস আপনি ব্যবহার করেছেন,
একই ফাইল একের অধিক রয়েছে কি না
(ডুপ্লিকেট ফাইলস) এবং কোন কোন
ফাইলগুলো সবচাইতে বেশি জায়গা
দখল করছে ইত্যাদি তথ্য আপনার সামনে
প্রদর্শন করবে।
তবে একটা লিমিটেশন আছে এই চমৎকার
অ্যাপলিকেশনটির এবং তা হচ্ছে
যেহেতু অ্যাপলিকেশনটি ফ্রি, সেহেতু
আপনি ফ্রি ভার্সনে মাত্র দুটি
অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন।
দুটির বেশি অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের
ক্ষেত্রে আপনাকে এর
অ্যাপলিকেশনটির প্রিমিয়াম
ভার্সনটি আনলক করতে হবে। আপনি
প্রিমিয়াম ভার্সন আনলক করলে অবশ্য
যে শুধু বেশি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে
পারবেন তাই নয়, সাথে আপনি পাবেন
অ্যাপলিকেশনটি পিন, প্যাটার্ন বা
পাসওয়ার্ডের সাহায্যে প্রোটেক্ট
করার সুবিধা, ডার্ক থিমসহ আরও কিছু
ফিচারস।
ডাউনলোড লিংক: গুগল প্লে স্টোর
Dreamstime
আপনার
তোলা ছবি
বিক্রি করুন
Deramstime অ্যাপলিকেশনটি যে শুধুমাত্র
ফ্রি তাই নয়, বরং এটি আপনাকে আরও
আপনার তোলা ছবি বিক্রি করার
সুযোগ দিয়ে আপনাকে আর্থিক ভাবে
লাভবান করতে সক্ষম। এখনকার যুগের
চমৎকার কনফিগারেশন যুক্ত
স্মার্টফোনগুলোর ক্যামেরা ইউনিট হয়
বেশ শক্তিশালী, এবং
ব্যবহারকারীদের চাহিদার উপর লক্ষ্য
রেখেই কিন্তু চমৎকার এই ক্যামেরা
ইউনিটগুলো স্মার্টফোনে যুক্ত হয়েছে
কালের বিবর্তনে। আর যেহেতু
ব্যবহারকারীদের চাহিদার উপরেই মূলত
এর আগমন তাহলে বোঝাই যায় যে মানুষ
সেলফোনে ছবি তুলতে ভালোবাসেন।
আপনিও নিশ্চয়ই ভালোবাসেন
সেলফোনে ছবি তুলতে? তাহলে সেই
ভালোলাগার কাজ থেকে যদি দু
পয়সা কামিয়ে নেয়া যায় তাতে
ক্ষতি কি বলুন? আর ঠিক এই কাজটিই
করে আসছে Dreastime অ্যাপলিকেশনটি।
এই অ্যাপলিকেশনটি মূলত আপনাকে
আপনার ছবিগুলো ড্রিমসটাইমের স্টক
ফটোগ্রাফি আর্কাইভে আপলোড করার
সুযোগ দিয়ে থাকে যেখানে লাখ
লাখ মানুষ আপনার ছবিগুলোকে
দেখতে সক্ষম হবে এবং কিনতে
পারবে। চমৎকার একটি আইডিয়া
তাইনা? শুধু যে আপনি ছবি বিক্রিই
করতে পারবেন এই অ্যাপলিকেশনটির
মাধ্যমে তা কিন্তু নয়, আপনি আপনি
আপনার আপনার ছবির সেলের ট্র্যাক
রাখতে পারবেন এবং এটি আপনাকে
কীভাবে আপনার ছবিটিকে
প্রেজেন্ট করলে তা বেশি বিক্রি
হবার সম্ভাবনা থাকে সেরকম কিছু
টিপস দিয়েও আপনাকে সাহায্য করবে।
ডাউনলোড লিংক: গুগল প্লে স্টোর
Drupe
আসলে চমৎকার এই অ্যাপলিকেশনটিকে
নিয়ে একটি ছোট আকারের আলাদা
রিভিউ করা সম্ভব এবং এর যতই প্রশংসা
করা যায় সবই মূলত সিম্পল এই
অ্যাপলিকেশনটি ডিজার্ভ করে। যাই
হোক, চমৎকার এই অ্যাপটি সম্পর্কে ছোট্ট
করেই কিছু বলি আপনাদের।
আপনার কন্টাক্ট লিস্টে অনেকেই
আছেন, তাইনা? কিন্তু লক্ষ্য করে
দেখবেন গড়ে একেক মানুষের সাথে
আপনি একেক ভাবে যোগাযোগ
করছেন। যেমন, আমার ক্ষেত্রেই ধরুন।
আমি কিছু ফ্রেন্ডের সাথে
যোগাযোগ করি ভাইবারে, আবার
কিছু ফ্রেন্ডের সাথে কথা হয় ফেসবুক
মেসেঞ্জারে, কাউকে দেই সেলুলার
নেটওয়ার্কের টেক্সট মেসেজ আবার
কাউকে দেই কল। এমন নয় যে যার সাথে
ভাইবারে যোগাযোগ হয় তাকে কখনও
ফোন দেয়া হয়না, তবে গড়ে দেখতে
গেলে দেখা যায় আমি বেশির ভাগ
সময়েই ভাইবারের বন্ধুগুলোর সাথে
ভাইবারের মাধ্যমেই যোগাযোগ
করছি। আর চমৎকার এই অ্যাপলিকেশনটি
আমাদের এই অভ্যাসটি দেখেই হয়তো
বানানো। Drupe -একই সাথে আপনার
কন্টাক্ট এবং মেসেজিং
অ্যাপলিকেশনগুলোকে ম্যানেজ করতে
সক্ষম। ড্রুপ অ্যাপলিকেশনটিতে আপনার
স্মার্টফোনের কন্টাক্ট গুলো থাকবে
স্ক্রিনের বামে এবং মেসেজিং বা
যোগাযোগের অ্যাপলিকেশন গুলো
থাকবে ডানে। আপনি শুধু আপনার
কন্টাক্টটি বের করে (যার সাথে
যোগাযোগ করতে চাচ্ছেন) ট্যাপ করে
সোয়াইপ করে কন্টাক্টটিকে ডান
পাশের যোগাযোগের মাধ্যমের উপর
(হতে পারে, মেসেঞ্জার, ভাইবার,
কল) ছেড়ে দিতে হবে। ব্যাস, খুব দ্রুত
সেই মানুষটির সাথে আপনার
নির্ধারিত যোগাযোগের
অ্যাপলিকেশনটির সাথে আপনি
কানেক্টেড হয়ে যাবে। আপনি চাইলে
অ্যাপলিকেশনটিকে আপনার স্ক্রিনের
যে কোন স্থানে এক্সেস দিতে
পারেন একটি ছোট্ট আইকন রাখার
যাতে করে যে কোন কাজ করার সময়
আপনি অ্যাপলিকেশনটি ব্যবহার করতে
পারেন। তাই আপনি যদি ইনস্ট্যান্ট
সবার সাথে বিভিন্ন মাধ্যমে
যোগাযোগ করে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন
তবে আপনার জন্য এটা পারফেক্ট একটি
অ্যাপলিকেশন।
ডাউনলোড লিংক: গুগল প্লে স্টোর
Skype
হয়তোবা আপনার কাছে কিছুটা
প্রেডিক্টেবল লাগছে এবং কিছুটা
অদ্ভুতও! স্কাইপ, এত পুরাতন একটি
অ্যাপলিকেশন কীভাবে ২০১৫ সালের
সেরা অ্যাপলিকেশনের তালিকায়
রাখলাম? প্রথমেই বলে রাখছি, ২০১৫
সালের সেরা বলতে কিন্তু ২০১৫
সালে বাজারে আসা বুঝানো
হচ্ছেনা, ২০১৫ সালে এ পর্যন্ত কোন
অ্যাপ গুলো সবচাইতে বেশি জনপ্রিয়
তাই বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে এর
মাধ্যমে। যাই হোক, যোগাযোগের
অনেক অনেক মাধ্যম তৈরি হলেও এখনও
পৃথিবীর যে কারও সাথে, পৃথিবীর যে
কোন প্রান্ত থেকে বিনামূল্যে (মূলত
বিনামূল্যে বললে ভুল হয় কেননা
এক্ষেত্রে আপনার ইন্টারনেট দরকার,
এবং ইন্টারনেটেও আপনাকে মাসিক
একটা বিল দিতে হয়; তবে যেহেতু
ইন্টারন্যাশনাল রোমিং চার্জ অনেক
বেশি এবং আপনি ইন্টারনেট শুধু
স্কাইপের জন্য ব্যবহার করবেন না বরং
ইন্টারনেট আছে বলেই স্কাইপ ব্যবহার
করবেন - তাই সেই হিসেবে
বিনামূল্যেই, কি বলেন?) যোগাযোগ
করার সবচাইতে ভালো পন্থা হচ্ছে
স্কাইপ। ২০০৩ সালে যখন স্কাইপ
ইন্টারনেটের দুনিয়ায় আসে, গ্রাহকরা
ব্যবহার করা শুরু করে ঠিক তখন থেকেই
স্কাইপের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী, এবং
এতগুলো বছর পার হবার পরেও সেই
জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে
স্কাইপ সেবাটি। কর্মক্ষেত্রে যারা
রিমোটলি কাজ করেন এবং ডেইলি
বেসিসে হেড কোয়ার্টারের সাথে
যোগাযোগ রাখতে হয় তাদের জন্যেও
স্কাইপের জুড়ি নেই। অসাধারণ কিন্তু
সিম্পল এই অ্যাপলিকেশনটির মাধ্যমে
আপনি ভিডিও, ভয়েস কল এবং
মেসেজিং এর মাধ্যমে যোগাযোগ
করতে পারবেন। এছাড়াও আরও একটি
চমৎকার ফিচার রয়েছে এবং তা হচ্ছে
স্ক্রিন শেয়ার অপশনটি। অর্থাৎ, আপনি
ডেস্কটপে স্কাইপ ব্যবহার করার সময়
আপনার ডেস্কটপটিকে লাইভ প্রদর্শন
করতে পারবেন আপনার বন্ধুর সাথে।
চমৎকার একটি ফিচার তাইনা?
ডাউনলোড লিংক: গুগল প্লে স্টোর
শেষকথা:
ছোট্ট এই সিরিজের প্রথম পর্বে আজ
এতটুকুই থাক। সবই যদি আজই লিখে দেই
তাহলে তো আর আপনারা নতুন কিছুর
জন্য অপেক্ষা করে থাকবেন না। যাই
হোক, আগামী পর্বে আমার তালিকায়
থাকা নতুন কিছু অ্যাপলিকেশন নিয়ে
আপনাদের সামনে হাজির হবো।
ততদিনে ভালো থাকবেন।
খেয়াল করুন, ২০১৫ সালের বলতে আমি
এপর্যন্ত সকল জনপ্রিয় অ্যাপলিকেশনের
কথা বুঝিয়েছি, ২০১৫ সালেই নির্মিত
হয়েছে এরকম অ্যাপলিকেশনের কথা
বুঝাইনি।
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৫
নকিয়া মোবাইলের মজাদার ম্যাজিক কোড
আজকে আপনাদের সামনে নিয়ে
আসলাম মজার কিছু মোবাইল ম্যাজিক
কোড, যেগুলো প্রযোজ্য হবে নিচে
প্রদত্ত মোবাইল গুলোর জন্য-
*. নোকিয়া ১৬০০ ( Nokia 1600 )
*. নোকিয়া ২৬০০ ( Nokia 2600 )
*. নোকিয়া ২৩১০ ( Nokia 2310 )
হ্যাঁ, এখন থেকে আপনি যেকোনো Nokia
1600, Nokia 2600, ও Nokia 2310 মোবাইলের
স্কিন/ডিসপ্লে (rotate) উল্টিয়ে
কিংবা ঘুরিয়ে দিতে পারবেন, আর
চমকিয়ে দিতে পারেন সবাইকে।
বিশ্বাস হয় না, তাহলে করেই দেখুন।
HERE ARE SOME CODES TO ROTATE SCREEN :
*#5512#
*#5513#
*#5514#
NORMAL MODE:
*#5511#
আশা করি এগুলো ব্যবহার করে সবাইকে
দারুনভাবে চমকায় দিতে পারবেন।
তবে সবার কাছে ১টা অনুরোধ থাকবে,
দয়া করে কেউ এই কোড গুলোর
অপব্যাবহার করবেন না, মানে অন্য
কারো মোবাইলে গোপনে এসব কোড
ব্যবহার করে কারো ক্ষতি সাধন করবেন
না।
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে
আমার টিউনটি শেষ করছি ।।
ভাল থাকবেন,
দেশকে ভালবাসবেন,
আর দেশের জন্য প্রতিদিন অন্তত একটি
করে কাজ করবেন ।।
ইন্টারনেট ব্যবহার করে পৃথিবীর যে কোন মোবাইলে SMS করুন সম্পূর্ণ ফ্রিতে
আজ আপনাদের জন্য আরেকটি ফ্রি
এসএমএস এর সাইট নিয়ে এসেছি।
ইন্টারনেটে এরকম ভুরি ভুরি ওয়েব সাইট
পাবেন। আজ আপনাদের সাথে এরকমই
একটি সাইট নিয়ে আলোচনা করব। এখান
থেকে আপনি পৃথিবীর যে কোন
দেশের যে কোন মোবাইল ফোনে
এসএমএস করতে পারবেন এবং তা সম্পূর্ণ
ফ্রিতে। তাহলে আসুন জেনে নিই
কিভাবে পাঠাবেন ফ্রি এসএমএস-
প্রথমে
http://uthsms.net/?on=sms
চলে যান। এবার আপনি যে দেশে
এসএমএস করবেন সে দেশের নাম টি
আগে ঠিক করুন। এবার number আর
জায়গায় (০ বাদে ১৭….) আপনার
কাঙ্খিত number বসিয়ে এসএমএস লিখুন।
SEND SMS এ ক্লিক করুন। (যদি কোন
ক্যাপচা আসে তাহলে তা পূরণ করে
SEND SMS এ ক্লিক করুন।)
মোবাইল অপারেটরের কোন প্যাকেজটি ব্যবহার করছেন??? জানেন না??তাহলে এক্ষুনি জেনে নিন
আসসালামুয়ালাইকুম
ওয়ারাহমাতুল্লাহিওয়াবারাকাতুহু।
সবাই ভাল আছেন।
আশা তো করি আল্লাহর রহমতে খুব ভালই
আছেন। ভালো থাকেন এই কামনাই
করি।
আমি নতুন টিজে হিসেবে পোস্ট এ
আমার কোন ভুল দৃষ্টি গোচর হলে ক্ষমা
করবেন।
আসা করছি সবার কাজে আসতে
পারবে আমার এই পোস্ট
আমাদের কমবেশি প্রায় সবারই একের
অধিকসিম রয়েছে। কিন্তু যখন নম্বরটি
ভুলে যাইতখন পড়ি বিড়ম্বনায়। এখন
থেকে আশা করি আরভুলবেন না।
১। জিপি: – *২#
২। রবি: – *১৪০*২*৪#
৩। বাংলালিংক: – *৫১১#
৪। এয়ারটেল: – *১২১*৬*৩#
5. টেলিটক: – টাইপ করুন tar ও পাঠিয়ে
দিন২২২ নম্বরে (চার্জ ০.৫৮টাকা)
মোবাইল অপারেটরের কোন
প্যাকেজটি ব্যবহার করছেন??? জানেন
না??তাহলে এক্ষুনি জেনে নিন
১। জিপি: – টাইপ করুন xp ও পাঠিয়ে
দিন৪৪৪৪ নম্বরে
২। রবি: – *১৪০*১৪# (চার্জ ২.৫০টাকা)
৩। বাংলালিংক: – *১২৫#
৪। এয়ারটেল: – *১২১*১*১*১#
৫। টেলিটক: – টাইপ করুন tar ও পাঠিয়ে
দিন ২২২ নম্বরে (চার্জ ০.৫৮টাকা)
যেভাবে মোবাইল থেকে ইউ টিউবের ভিডিও ডাউনলোড করবেন
আমরা জানি যে সাধারনত মোবাইল
থেকে ইউটিউব এর ভিডিও ডাউনলোড
করা যায় না. তাই আমি আমি
আপনাদের সাথে এমন একটি ট্রিক
শেয়ার করবো যার মাধ্যমে আপনারা
খুব সহজেই ইউ টিউব থেকে আপনাদের
পছন্দের ভিডিও টি ডাউনলোড করে
নিতে পারবেন.
প্রথমে এখান থেকে ourTube সফ্টওয়ার
টি ডাউনলোড করে নিন.
সফ্টওয়ার টি জাভা এবং সিম্বিয়ান
সমর্থন যেকোন মোবাইলে ব্যাবহার
করতেপারবেন.
এবার সফ্টওয়ার টি ইন্স্টল করার পর অপেন
করুন.
তারপর YouTube Search বক্সে
আপনাকপছন্দের ভিডিও টির নাম
লিখে সার্চ করুন.
সার্চ করার পর নিচের বক্স Search Result এ
ভিডিও টি পেয়ে যাবেন সেখান
থেকে ভিডিও টির উপর ক্লিক করে
ডাউনলোডে ক্লিক করুন.
ডাউনলোড ক্লিক করার পর Video Format
থেকে, আপনি ভিডিও টি কোন
ফরমাটে ডাউনলোড করতে চান সেটি
নির্বাচন করুন.
ভিডিও ফরমাটে ক্লিক করার সাথে
সাথে ডাউনলোড হওয়া শুরু করবে.
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৫
ভালো ওয়াই-ফাই সংযোগ পেতে রাউটার কোথায় রাখা উচিত প্রিয় টেক
ভালো ওয়াই-ফাই সংযোগ পেতে রাউটার স্থাপনের উপযুক্ত স্থান রয়েছে।
ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ ও স্মার্টফোনের সাহায্য এই পদ্ধতি বের করা হয়। অভিনব এ
পদ্ধতিটি বের করেছেন যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজের পিএইচডি
শিক্ষার্থী জেসন কোল।
সাধারণ রাউটারের হিসাব অনুযায়ী ২.৪ গিগাহার্টজ বিদ্যুতস্পন্দনের
ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন সৃষ্টি করেন ও ম্যাক্সওয়েল সমীকরণের
সাহায্যে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ প্রবাহ নির্ণয় করে স্মার্টফোনে
ওয়াই-ফাই সিগনালের একটি ম্যাপ তৈরি করতে সক্ষম হন। আর এতেই বের হয়ে আসে
রাউটার রাখার উপযুক্ত স্থান কোনটি হতে পারে। একই প্রক্রিয়ায় ওয়াই-ফাই
তরঙ্গের ম্যাপ তৈরি করতে পারবে এমন একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপও তৈরি
করেছেন তিনি। 'ওয়াইফাই সলভার এফটিডিটি' নামক ওই অ্যাপটির সাহায্যে
রাউটার রাখার উপযুক্ত স্থান বের করা সম্ভব হবে। ৭৪ সেন্টের বিনিময়ে
অ্যাপস্টোর থেকে সংগ্রহ করা যাবে অ্যাপটি।
জেসন কোল এর দেয়া ওয়াই-ফাই স্থাপনের টিপস
একটি কেন্দ্রিয় অবস্থানে রাউটার স্থাপন করতে হবে।
পার্শ্ববর্তী এরিয়ায় ধাতব বস্তু রাখা যাবেনা।
কংক্রিট বা ইটের দেয়ালও বাঁধার কারণ।
মাইক্রোওয়েভের কাছাকাছি রাউটার রাখা যাবেনা।
উঁচু জায়গায় সেট আপ করতে হবে।
অনুভূমিক নাগালের জন্য অ্যান্টেনা উর্ধ্বগামী করে এবং উল্লম্ব
নাগালের জন্য পার্শ্বাভিমুখে রাখতে হবে।